1. [email protected] : admin : Antar Roy
  2. [email protected] : Bidhan Das : Bidhan Das
  3. [email protected] : tkeditor :
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বগুড়ায় স্বামীর আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী সাহাদারা মান্নান জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন ক্রিকেটার নাজমুল হাসান শান্ত স্ত্রীর অশ্লীল ছবি তুলে যৌতুক দাবি করায় গ্রেফতার হলো স্বামী ! যশোর-৬ কেশবপুর আসনের উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে নৌকার জয় নীলফামারীতে মেয়ের করোনা সনাক্তের খবর শুনে স্কুল শিক্ষিকা মায়ের মৃত্যু ! পীরগঞ্জে ঠিকাদার কর্তৃক অবৈধভাবে পাকা স্থাপনা ভেঙ্গে দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ঠাকুরগাঁওয়ে হাসপাতালের চিকিৎসক ও বিজিবি সদস্যসহ নতুন করে ৫জন করোনায় আক্রান্ত সাহেদ এর পালানো ঠেকাতে হিলিতে নজরদারি বৃদ্ধি দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু ৩৩, আক্রান্ত ৩১৬৩ ! আমার অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশের ফুসফুস

২৫ হাজার পাটকলকর্মীকে ‘স্বেচ্ছা অবসরে’ পাঠানো হচ্ছে

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০
  • ৩৭ পঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ের খবর ডেস্ক : ক্রমাগত লোকসান দিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য প্রায় ২৫ হাজার পাটকল শ্রমিককে ধারাবাহিকভাবে স্বেচ্ছা অবসর বা গোল্ডেন হ্যান্ডশেকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দেশের পাটকলগুলোতে অব্যাহত লোকসানের ফলে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

রবিবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, ‘পাটকলগুলোতে লোকসান হচ্ছে, এজন্য সরকার চিন্তা করেছে শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেক দিয়ে এই খাতকে এগিয়ে নিতে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘পাটকল শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেক দেয়ার পর সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে পাটকলগুলোকে আধুনিকায়ন করে উৎপাদনমুখী করা হবে। তখন এসব শ্রমিক সেখানে চাকরি করার সুযোগ পাবেন।’

তবে কবে সেই সুযোগ হবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

সংবাদ সম্মেলনে বস্ত্র ও পাট সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ‘পাটকলগুলোতে ২৪ হাজার ৮৮৬ জন স্থায়ী কর্মচারী রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে শ্রমিকদের চাকরির অবসান করতে।’

সচিব আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় পাটকলগুলোতে ২০১৩ থেকে এ পর্যন্ত আট হাজার ৯৫৪ জন পাটকল শ্রমিক অবসরে গেছেন। অব্যাহত লোকসানের কারণে অর্থ সংকটে তাদের অবসর ভাতা দেওয়া সম্ভব হয়নি।’

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি পাটকলে বছরে গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকার লোকসান গুনতে হয়। বেতনের দাবিতে প্রায়ই শ্রমিকদের আন্দোলনে নামতে হয়। তাদের দাবির মুখে সরকার কিছু অর্থ বরাদ্দ দিয়ে বকেয়া পরিশোধ করে। যেহেতু লোকসানি প্রতিষ্ঠান সে কারণে আবার কয়েকদিন পর একই সংকট তৈরি হয়। শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে আসে। সরকারের সমালোচনা হয়। এজন্য সরকার এবার লোকসান দিয়ে পাটকল চালানো একদম বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিডি

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো খবর :

  © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | ঠাকুরগাঁওয়ের খবর

Theme Customized By Arowa Software