হুমায়ূন আহমেদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে নূহাশপল্লীতে ভক্তদের ভিড়

tkeditortkeditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:১০ PM, ১৯ জুলাই ২০১৬

গাজীপুর সংবাদদাতা : বাংলা ভাষার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী ছিল আজ। দিনটি স্মরণে মঙ্গলবার(১৯ জুলাই)সকাল থেকেই গাজীপুরের নূহাশপল্লীতে ছিল ভক্তদের ভিড়। ভক্তরা ছাড়াও এ সময় প্রিয় লেখক ও প্রিয় মানুষটির কবর জিয়ারত করেন পরিবারের সদস্যরা। সকাল থেকেই কবরের পাশে ছিলেন লেখকপত্নী মেহের আফরোজ শাওন। তিনি মনে করেন, নূহাশপল্লীতেই শান্তিতে ঘুমাচ্ছেন প্রিয় লেখক। তাই জায়গাটির নাম হুমায়ূনপল্লী দেওয়ার ইচ্ছার কথা গণমাধ্যমকে জানান শাওন।

হুমায়ূনের দেওয়া নাম নূহাশপল্লী সম্পর্কে শাওন বলেন, “আমার কাছে মনে হয় হুমায়ূন আহমেদ বাদে অন্য কেউ যদি হতেন, বা আমি যদি হতাম তা হলে এই জায়গার নাম দিতাম হুমায়ূনপল্লী, এই নাম হলেই জায়গাটির মূল্যায়ন হতো। কারণ তিনি অনেকভাবেই এই জায়গার সঙ্গে মিশে আছেন। আপনারা এখন এখানে যা দেখছেন, তার প্রতিটি ইঞ্চিতে ওনার ছোঁয়া আছে। আপনারা যে এখানে মাটি দেখছেন, সেটা কিন্তু এখানকার মাটি না। গাছের প্রয়োজনে তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে মাটি এনে এই পল্লী গড়ে তুলেছেন। আমি নিশ্চিত হুমায়ূন আহমেদ এখানে শান্তিতেই ঘুমিয়ে আছেন।”

মেহের আফরোজ শাওন আরো যোগ করেন, “২০১২ সালের ১৯ জুলাই থেকে প্রতিটি দিনই আমাদের পরিবারের কাছে শোকের। তিনি বেঁচে থাকতে আমার শ্বশুর শহীদ ফয়জুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে যে রকম আয়োজন করতেন, আমরাও সেভাবে সাজিয়েছি। সকাল থেকে সাড়ে পাঁচশত এতিম শিশু কোরআন খতম করেছে। সবাইকে নিয়ে আমি কবর জিয়ারত করেছি। তিনি নিজের হাতে এতিমদের খাওয়াতেন। আজ আমি নিজের হাতে তাদের খাইয়ে দিয়েছি। গাজীপুরের বিভিন্ন এতিমখানা থেকে দাওয়াত দিয়ে আমরা এখানে তাদের এনেছি।”

উল্লেখ্য, পরিবারের সদস্য ও হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের প্রকাশক ও ভক্তদের নিয়ে গত চার বছর ধরেই নিয়মিতভাবে নূহাশপল্লীতে কবর জিয়ারত করা হয়।

জেলার খবর

আপনার মতামত লিখুন :