সাঘাটায় অন্ত:স্বত্বা গৃহবধু হত্যার ঘটনায় মামলা, ঘাতকদের ফাঁসি দাবি

tkeditortkeditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০১:৪১ AM, ২৫ জুন ২০১৬

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা, প্রতিনিধি : সাঘাটার দিঘলকান্দি গ্রামের অন্ত:সত্বা গৃহবধু সুমি হত্যা ঘটনায় থানায় চারজনকে আসামী করে থানায় মামলা ও হত্যা ঘটনায় জড়িত স্বামী আলমগীর ও শ্বাশুড়ি জাহানারা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

সুমীর মা জানায়, তার কন্যাকে বিয়ের পর হতেই তার শ্বশুড় বাড়ির লোকজন অকারণে জ্বালা যন্ত্রণা করে আসতো।বেশি বাড়াবাড়ি করলে বা আমার কথা না শুনলে তোর ক্ষতি হবে।

সুমীর পিতা শুক্কর আলী জানায়, মেয়ের সুখের জন্য আমি অনেক কষ্ট করে কুড়ি হাজার টাকা ও ঘরের আসবাবপত্র দিয়েছিলাম। তারপরেও ওরা আমার মেয়েকে বাঁচতে দিলোনা..একথা বলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

সুমীর খালা জানায়, তার ভাগ্নি হত্যাকারিরা যেন জামিনে মুক্তি বা খালাস না পায়। সে তাদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তিসহ ফাঁসি দাবি করে।

সুমীর শ্বশুড়বাড়ির প্রতিবেশীরা জানায়, সুমী খুবই শান্ত স্বভাবের ছিলো। সেই সুযোগে তার দজ্জাল শ্বাশুড়ি সময়ে অসময়ে খাওযা থেকে শুরু করে সকল বিষয়ে নির্যাতন করতো। আমরা প্রতিবেশিরা তার স্বামী শ্বাশুড়ির আচরণের প্রতিবাদ করলেও সুমী বলতো, তোমরা কিছু বলিওনা। তারা আরো জানায়, গর্ভবতী হবার পর থেকেই আরো বেশি জ্বালাতন করতো। প্রতিবেশিরা আরো জানায়, সুমীকে হত্যার পর তারা পরিকল্পনা করেছিলো তাকে বস্তায় তুলে নদীতে ভাসিয়ে দিবে। কিন্তু তার পরিবারের এক সদস্য মোবাইল ফোন করে বিভিন্ন জায়গায় এই গোপনটি খবরটি দিলে তাদের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

সাঘাটা থানা পুলিশ জানায়, সুমীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। অন্ত:স্বত্বা সুমীর স্বামী ওই রাতের ঘটনার প্রাথমিক স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে, সংসারের আলাদা হওয়ার বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে মারপিট করে সে বাহিরে যায়। কিছুক্ষন পর এসে দেখে সে নড়াচড়া করছেনা, মারা গেছে।

অপরাধ

আপনার মতামত লিখুন :