রাণীশংকৈলে সকল সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী; বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ !

Bidhan DasBidhan Das
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:১৫ PM, ০২ অক্টোবর ২০২০

আনোয়ার হোসেন আকাশ, রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) থেকে : ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার কালিবাড়ী বাজারে ঊর্ধ্বমুখী কাঁচা তরকারির দাম। সাধারণ ক্রেতারা অস্বাভাবিক দামের কাঁচা তরকারি কিনতে হিমশিম খাচ্ছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালিন সবজি পোটল ৬০ টাকা, শিম ১২০ টাকা ও মুলা ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি এখনও পরিপক্ক না হলেও বেশি দামের আশায় চাষিরা বাজারে বিক্রি করছে।

এছাড়া বরবটি ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা, ঝিঙা ৪০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, লাউ ৩০ টাকা, আলু ৪০ টাকা, কচুরমুখি ৩০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা, কাঁচা কলা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২০০ টাকায়। এছাড়া দেশি রসুন ১২০ টাকা ও পেঁয়াজ ৮০ টাকায় প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে।

কয়েকটি বাজারে মাছের দাম বরাবরই একই রকম আছে। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ১০০/১২০ টাকা, শিং মাছ ৪০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ টাকা, রুই ১৩০-১৫০ টাকা, কাতলা ১২০-২০০ টাকা, মৃগেল ১২০/১৬০ টাকা, ইলিশ মাছ প্রকার ভেদে দামে বিক্রি হচ্ছে।

শিবদীঘি বাজারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বিক্রেতা বলেন, ক্রেতাদের কাছে কোনো সবজি ও মালামালের দাম চাওয়া যাচ্ছে না। এতো বেশি দাম হলে কিভাবে দাম চেতে হয়। একই বাজারের আরেক ব্যবসায়ী জানান, আমরা মাল কিনতে পারছি না। যেভাবেই কিনছি, সেইভাবেই বিক্রি করছি। এই ঊর্ধ্বমুখির বাজারে আমাদের মাথা ঠিক নেই। তো ক্রেতাদের মাথা ঠিক থাকে ?

নেকমরদ বাজারে-সদয় করতে আসা নাজমুল হোসেন। তিনি পেশায় একজন ভ্যান চালক। সারাদিন ভ্যান চালিয়ে যা রোজগার হয়েছে তা বাজার-সদাই করতে শেষ হয়ে গেছে। তিনি জানান, আজ তরকারির এতো দাম ? যে তরকারি ধরায় যাচ্ছে না। এরকম বহু অল্প আয়ের মানুষ তরকারির বাজারে যেয়ে তরকারি কিনতে হিমশিম খাচ্ছে।

বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নিয়ে অতিসত্তর উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানান সাধারণ মানুষ।

বিডি

আপনার মতামত লিখুন :