রাণীশংকৈলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি নিয়ে মারপিট; প্রধান শিক্ষক সহ আহত-৫, আটক-৪

tkeditortkeditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:১৪ PM, ১৫ মার্চ ২০১৬

আনোয়ার হোসেন আকাশ,রাণীশংকৈল প্রতিনিধি : ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈল কাতিহার উচ্চ বিদ্যালয়ে জমির বিরোধ এবং জোর পূর্বক জমি দখলকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ ৫জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতেই ভূমিদূস্যরা তাদেরকে মারপিট করে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের ।

প্রত্যক্ষদশী সুত্রে জানা যায়, কাতিহার উচ্চ বিদ্যালয়টি ২একর ১০ শতক জমি নিয়ে ১৯৭২ ইং সালে স্থাপিত হয়। ক্রয়কৃত সুত্রে প্রায় ৪০ শতক জমির স্বত্তাধিকারী হিসেবে কাতিহার গ্রামের নাসিরউদ্দীনের সাথে স্কুলের বিরোধ লাগে। এ নিয়ে একাধিকবার উপজেলা ভূমি অফিস, থানা প্রশাসনে এস আই রেজার তত্বাবধানে সমাধানের চেষ্টা করা হয়। এছাড়াও এসিল্যান্ড অফিসে বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে।

আাইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ১৫ মার্চ স্কুল চলাকালীন নাসিরউদ্দীন অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত ক্যাডার বাহিনী নিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে ইটের প্রাচীর নির্মাণ কাজ শুরু করে। এ সময় প্রধান শিক্ষক হুমায়ন কবির থানায় ফোন দিলে এস আই রেজা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয়। পুলিশের উপস্থিতি দেখে প্রধান শিক্ষক হুমায়ন সহ শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ভূমিদস্যুরা শিক্ষক হুমায়ন কবিরকে মারপিট শুরু করে। প্রধান শিক্ষককে বাঁচাতে গেলে প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য আনোয়ার হোসেন, নবম শ্রেণীর ছাত্র আব্দুল আলিম, রিতা, খুশি সন্ত্রাসীদের মারধরে গুরুত্বর আহত হয়।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে মারপিট করার প্রতিবাদে স্কুলের সমস্ত শিক্ষার্থীরা বিশাল বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ ও থানা কার্যালয় ঘেরাও করে। এসময় প্রশাসনের বিরুদ্বে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা।

অবস্থা অনুকুলের বাইরের বুঝতে পেরে ইউএনও খন্দকার মোঃ নাহিদ হাসান শিক্ষার্থীদের থানার মধ্যে রেখেই ঘটনাস্থল থেকে নাসিরউদ্দীনের ছেলে আঃ রাজ্জাক, আজিজুরের ছেলে দেলোয়ার হোসেন, আব্বাস আলী, আঃ রাজ্জাকের স্ত্রী শিমু পারভীনকে পুলিশ দিয়ে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর শিক্ষার্থীরা থানা কার্যালয় ছেড়ে দেয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মোঃ নাহিদ হাসান বলেন, বিষয়টি সঠিক সুরাহার জন্য সবার সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অপরাধ

আপনার মতামত লিখুন :