মধ্যবর্তী নির্বাচন নয়, ফ্রেশ নির্বাচন চায় বিএনপি -মির্জা ফখরুল

Bidhan DasBidhan Das
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:৪৯ PM, ১৮ অক্টোবর ২০২০

ঠাকুরগাঁওয়ের খবর ডেস্ক : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করে বলেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচন নয়, ফ্রেশ নির্বাচন চায় বিএনপি।

আজ রোববার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে গত শনিবার দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত তুলে ধরা হয়।

কোনো মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে না-আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এরকম বক্তব্যের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা তো একথা (মধ্যবর্তী নির্বাচন)  এখনো বলিনি। আমরা গত নির্বাচন যেটা হয়েছে সেটাই তো মানছি না, আমরা ওইটাকে অবৈধ বলছি, আমরা ওইটাকে বাতিল করার কথা বলছি। আপনারা দেখেন আমাদের প্রত্যেকটা স্টেটমেন্ট একথা বলেছি যে, এই নির্বাচন আমরা মানি না, এই নির্বাচন বাতিল করে নির্বাচন দেয়া হোক।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘মধ্যবর্তী-টড্ডবর্তী নির্বাচনের কথা আমরা তো বলিনি ভাই। যখন বলব তখন দল থেকে বলা হবে তখন অবশ্যই বলা হবে। এখন ব্যক্তিগত ভাবে কেউ কিছু বললে, যারা সিভিল সোসাইটিতে আছেন তাদের মধ্যে কেউ বলতে পারেন-সেটা তাদের মতামত। আমরা বিশ্বাস করি যে, আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। যে কারণে আমরা বলি যে, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা বলে এসেছি, এটাতে আমরা বিশ্বাস করি।’

চাল-ডাল-পেঁয়াজ-আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকারি দলের মদদপুষ্ট এক শ্রেণির ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা ও দুর্নীতির কারণে দ্রব্যমূল্য বেড়েই চলেছে। একদিকে করোনাভাইরাসের কারণে কর্মসংস্থানের অভাব ও পরিস্থিতিকে আরও জটলা করে ফেলেছে।’

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির রাশ টেনে ধরতে সরকারের ব্যর্থতার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থায়ী কমিটি।

‘পুলিশের ধর্ষণবিরোধী সমাবেশ লোকদেখানো’ মন্তব্য করে বিএনপির মুখপাত্র বলেন, ‘সারাদেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ব্যাপকতা বৃদ্ধি প্রতিরোধে সরকারের চরম ব্যর্থতা সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করে মৃত্যুদণ্ডের বিধান সংযোজন –সমস্যার একমাত্র সমাধান নয়। ধর্ষকদের সরকারি দলের প্রশ্রয় অথবা ধর্ষক সরকারি দলের সদস্য বলে কোনো বিচার হয় না।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল ধর্ষণবিরোধী লং মার্চে আন্দোলনকারীদের ওপর ফেনীতে পুলিশের সহায়তায় আওয়ামী লীগেরে সন্ত্রাসীদের হামলা প্রমাণ করেছে যে, পুলিশ গতকাল সারাদেশে যে ধর্ষণবিরোধী সমাবেশ শুধু মাত্র লোক দেখানো। প্রকৃত অর্থে সরকারের সদিচ্ছার অভাব ও ব্যর্থতাই ধর্ষণের মতো অপরাধ বাড়ছে।’

এসময় ধর্ষণ মামলার দ্রুত বিচারের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করার দাবিও জানান তিনি।

বিডি

আপনার মতামত লিখুন :