ভাঙ্গা ব্রীজে ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন

tkeditortkeditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:১০ AM, ২৩ জানুয়ারী ২০১৬

দিনাজপুর (বিরামপুর) সংবাদদাতা : দিনাজপুরের বিরামপুর হইতে জোতবানী ও বিনাইল ইউনিয়নের প্রধান পাকা রাস্তায় উপর নির্মিত ভেলার পাড়ের পৃর্বমাঠের ব্রীজটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়েছে। ব্রীজের পশ্চিম পার্শ্বের একটি বড় অংশের কার্পেটিং ভেঙ্গে পড়ে যাওয়ায় জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে বাস ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন।

ব্রীজটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় উপজেলার জোতবানী ও বিনাইল ইউনিয়নের মানুষদের প্রতিনিয়ত চরম দৃর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। ব্যবসা বানিজ্য, জরুরীভাবে অসুস্থ্য রোগিদের পরিবহনে ওই দুটি ইউনিয়নের মানুষদের ২৫ থেকে ২৭ কিলোমিটার উপজেলার কাটলা ইউনিয়ন ও মুকন্দপুর ইউনিয়ন ঘুরে বিরামপুর উপজেলা শহরে যেতে হয়। আবার বিনাইল ইউনিয়নের মহনপুরসহ আশপাশের কেউ কেউ জেলার ফুলবাড়ী উপজেলা হয়ে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে উপজেলা শহরে এসে তাদের কাজকর্ম করছেন। উপজেলা শহর থেকে দুটি ইউনিয়নের পরিবহন দুরুত্ব দিগুন হওয়ায় পূর্বের চেয়ে বর্তমানে পরিবহন খরচ অনেক বেশী গুনতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। এলাকার কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত কৃষিপণ্যের অধিক মুনাফা থেকেও বঞ্চিত হয়ে আসছেন। বাড়ি ঘর তৈরীর জন্য ইট, সিমেন্ট,বালি ও রর্ড পরিবহনেও বেশী খরচা এখন এলাকাবাসীর নাভিশ্বাস হয়ে দেখা দিয়েছে।

সড়ক ও জনপথের লোকজনসহ স্থানীয় উপজেলা প্রকৌশলী বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে ব্রীজেটিকে ঝুঁকিপুর্ণ ঘোষণা করলেও মানছেনা কেউ। যে কোন সময় ব্রীজটি ভেঙ্গেপড়ে ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে বলে এলাকাবাসীর জানান।

এ বিষয়ে ভেলার পাড়া গ্রামের মোস্তফা জানান,একটি মাত্র ব্রীজের কারনে দুটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ চরম দৃর্ভোগের শিকার । এসব এলাকার যোগাযোগের ক্ষেত্রে সকল উন্নয়ন ভেলার পাড়া ব্রীজের কারনেই বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে বলে সর্বস্থরের সচেতন মহলের দাবী।

সাগাই হাটা গ্রামের আবু সুপিয়ান চৌধুরী বলেন, এলাকাবাসি উপজেলার পশ্চিম জনপথের বিনাইল ও জোতবানী ইউনিয়নের উন্নয়নের একমাত্র পাকারাস্তার উপরে নির্মিত ব্রীজটি দ্রুত সংস্কার করতে সড়ক,জনপথ ও স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

একই দাবি করেছেন উপজেলার চাকুল গ্রামের মতিয়ার রহমান,আয়ড়া মোড়ের আইজুল ইসলাম, ছাপড়া গ্রামের আজিজারসহ এলাকার বেশ কয়েকজন।

বিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদ জামান জানান, ভেলার পাড় গ্রামের পূর্ব পার্শ্বের ব্রীজটি আমরা পরিবহন ও জনসাধারণের চলাচলের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষনা করে সাইনবোর্ড দিয়েছি। সেই সাথে ব্রীজের প্রবেশ পথে খুটি দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। এরপরও জনসাধারণ তা ভেঙ্গে দিয়ে ব্যবহার করছে। ব্রীজটি নির্মানের বিষয়ে টেন্ডার হয়েছে। ঠিকাদার নির্ধারণসহ অন্যান্য দাপ্তরিক জটিলতার কারনেই কাজটি শুরু হতে বিলম্বিত হচ্ছে।

জনদুর্ভোগ

আপনার মতামত লিখুন :