বিয়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি তিন দিনব্যাপী হলে মনে হয় ভালো হতো!জমিয়ে আড্ডা দিতে পারতাম

tkeditortkeditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:২৮ PM, ২৯ মার্চ ২০১৬

বিনোদন ডেস্ক : গতরাতে রাজকীয় সাজে সেজেছিলো রাজধানীর সেনাকুঞ্জের পার্টিসেন্টারটি । কেননা সোমবার সন্ধ্যায় সেখানে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক নিরবের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। ওই অনুষ্ঠানে বর-কনেকে শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রসহ বিভিন্ন অঙ্গনের একঝাঁক তারকা।

উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক ওমর সানি, ইমন ও তার স্ত্রী, অভিনেতা মিশা সওদাগর, চিত্রনায়িকা নিপুণ, নির্মাতা অমিতাভ রেজা, সংগীত আরফিন রুমি ও তার স্ত্রী, ধ্রুব গুহ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ফারহানা নিশোসহ আরো অনেকে।

নিরব বলেন, ‘২০১৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর আমরা ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম। কিন্তু সেসময় কিছুটা সমস্যা থাকায় কাউকে জানাতে পারিনি। তাই এই আয়োজন করে সবার দোয়া নিয়ে আমরা আবারো নতুন জীবন শুরু করলাম।’

নিরব আরো বলেন, ‘কাছের-দূরের আত্মীয়-বন্ধু, সহকর্মী সবাইকে যতদূর পেরেছি নিমন্ত্রণ করেছি। হাতে সময়ও বেশি ছিল না। এতো মানুষ একত্রে এসেছেন আমি সত্যি আনন্দিত। সবসময় সবার কাছ থেকে এই ভালোবাসাটুকুই চাই।’

নিরব বিনয় নিয়ে বলেন, ‘অনেক বেশি ব্যস্ত ছিলাম কাল। প্রচুর লোক সমাগম ছিলো। অনেকের সঙ্গেই হয়তো ভালো করে কথা বলার সুযোগ পাইনি। এতে কেউ মন খারাপ করবেন না আশা করি।’

হাসির ছলে নিরব এও বলেন, ‘আমাদের বিয়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি তিন দিনব্যাপী হলে মনে হয় ভালো হতো! সবাইকে সময় দিতে পারতাম। জমিয়ে আড্ডা দিতে পারতাম।’

নিরব পত্নী তাশফিয়া তাহের ঋদ্ধি বলেন, ‘আমাদের বিয়েটা যখন হয় তখন আমাদের দুই পরিবারের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক বিরাজমান ছিল না। এরপর যখন পরিস্থিত স্বাভাবিক হয় তখন ধুমধাম করে বৌভাতের আয়োজন করতে চেয়েছিল নিরব। কিন্তু আমি বলেছিলাম গায়ে হলুদের আগে এসব করা যাবে না। নিরব আমার কথা শুনে কিছুটা হেসেছিল। এরপর গেল ২৬ মার্চ আমাদের গায়ে হলুদ হয় এবং আজ (গতকাল) বিবাহোত্তর সংবর্ধনা হয়ে গেল। এবার দাম্পত্য জীবনটাকে সত্যি রোমাঞ্চকর লাগছে।’

সকলের কাছে দোয়া চেয়ে নিরব পত্নী বলেন, ‘আমরা অনেক সুখে আছি। বাকীটা জীবন পরিবার-পরিজন নিয়ে এভাবে হাসি-আনন্দে কাটাতে চাই। সকলে আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিরর-ঋদ্ধি’র প্রথম পরিচয়। দিনাজপুরের মেয়ে ঋদ্ধি সেসময় ছিলেন নর্থ সাউথের ছাত্রী। ঋদ্ধি সেদিন নিরবের কাছ থেকে অটোগ্রাফ নিয়েছিলেন। সেখানেই চোখাচোখি মন দেওয়া নেওয়া, এরপর ফোন নাম্বার বিনিময়, ধীরে ধীরে তাদের যোগাযোগ রূপ নেয় প্রেমে। একই বছর ২৬ ডিসেম্বর গোপনে বিয়ে করেছিলেন দুজনে।

আপনার মতামত লিখুন :