নৌবহরে সংযোজিত হলো ‘সমুদ্র অভিযান, ‘স্বাধীনতা’ ও ‘প্রত্যয়’

tkeditortkeditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:১৫ PM, ১৯ মার্চ ২০১৬

ডেস্ক রিপোর্ট : নৌবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতা বাড়াতে নৌবহরে সংযোজিত হলো নতুন তিনটি আধুনিক যুদ্ধজাহাজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সদ্য সংযোজিত ‘সমুদ্র অভিযান, ‘ স্বাধীনতা’ ও ‘প্রত্যয়’ যুদ্ধজাহাজ তিনটি দেশের সম্পদ রক্ষা, নিজ জলসীমায় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং বিশ্বশান্তি রক্ষায় আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শনিবার চট্টগ্রাম নেভাল একাডেমিতে যুদ্ধজাহাজ তিনটির উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌবাহিনীতে জাহাজ তিনটি অন্তর্ভূক্তির ফলে দেশের বিশাল জলসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি সমুদ্রে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধ, গভীর সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতা বৃদ্ধি, মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদক সংরক্ষণের পাশাপাশি সার্বিকভাবে দেশের ব্লু ইকোনমি উন্নয়নে সহায়ক হবে।
তিনি বলেন, এর মাধ্যমে দেশের নৌবাহিনী আরো এক ধাপ এগিয়ে গেলো। এই সব জাহাজের প্রয়োজন কেবলই নৌবাহিনীর জন্য নয়, সমগ্র জাতির জন্যই এগুলো কাজে লাগবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নৌবাহিনীতে মেরিটাইম হেলিকপ্টার এবং মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাপ্ট সংযুক্ত হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ নৌবাহিনী একটি দ্বিমাত্রিক নৌবাহিনীতে পরিণত হয়েছে।’
ক্রমাগত সম্পদ আহরণের ফলে বিশ্বের স্থলভাগের সম্পদ আজ সীমিত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সারা বিশ্বের নজর এখন সমুদ্র সম্পদের দিকে। বর্তমান সরকার ব্লু  ইকোনমি’র মাধ্যমে সমদ্র সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’
দেশের সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষা ও দূর্যোগ মোকাবেলায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে আধুনিক নৌবাহিনীর স্বপ্ন দেখেছিলেন এ সময় প্রধানমন্ত্রী তা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
বানৌজা ‘সমুদ্র অভিযান’ জাহাজটি ঘণ্টায় প্রায় ২৯ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম। অন্যদিকে  বানৌজা ‘স্বাধীনতা ও ‘প্রত্যয়’ নামের আধুনিক ক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজ দুটি বিমান বিধ্বসী কামান, জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল এবং সমুদ্র তলদেশের টার্গেটে আঘাত হানতে সক্ষম।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাহাজের অধিনায়কদের হাতে কমিশনিং ফরমান তুলে দেন। এর মধ্যে দিয়ে যুদ্ধজাহাজ তিনটি নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু করল।

নির্বাচিত লেখা সমূহ

আপনার মতামত লিখুন :