নীলফামারীর জলঢাকায় লড়াই হবে মামা-ভাগ্নের

tkeditortkeditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০২:২২ PM, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৫

নীলফামারী সংবাদদাতা : জলঢাকা পৌর মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু জাতীয় পার্টি থেকে কৃষক লীগে যোগ দিয়েও মামা আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুরের কাছে হেরে গেলেন মনোনয়ন দৌড়ে। অবশেষে ক্ষোভে দুঃখে ভাগ্নে ইলিয়াস হোসেন বাবলু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাখিল করেন মনোনয়নপত্র।

২০১১ সালের ১২ জানুয়ারি নির্বাচনে বিএনপির আনোয়ারুল কবীর চৌধুরী মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি একই সালের ৪ এপ্রিল মারা যান। ২০১১ সালের ২৯ জুন উপ-নির্বাচনে ইলিয়াস হোসেন বাবলু মেয়র হিসেবে নির্বাচিন হন। পৌর নির্বাচন ঘোষণার দিনে তিনি জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নের আশায় যোগ দেন কৃষক লীগে।

ডিগবাজি দিয়ে কৃষক লীগে যোগ দেয়ার পর থেকে তিনি নীলফামারী থেকে শুরু করে ঢাকা পর্যন্ত বিভিন্ন নেতাদের দ্বারে দ্বারে ধর্না দিয়েছেন মনোয়নের আশায়। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি। যুবলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য তার আপন মামা আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুরের কাছে হেরে গিয়ে হতাশ হয়ে পড়েন তিনি। অবশেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বৃহস্পতিবার দাখিল করেন মনোনয়নপত্র।

উপ-নির্বাচনে জলঢাকা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়ে জিরো অবস্থার যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ পৌর এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। জাইকা, ইউজিএফ, গুরুত্বপূর্ণ নগর উন্নয়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় নিয়ে এসেছেন পৌরসভাকে। এখনও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত হয়েছে।

এ ব্যাপারে ইলিয়াস হোসেন বাবলু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে না পারার কারণে হয়তো মনোনয়ন নেয়া সম্ভব হয়নি। মামা হয়তো সে কাজটি করতে পেরেছে। এজন্য হয়তো মামা মনোনয়ন বাগিয়ে নিয়েছেন। তবে আমি জলঢাকা পৌর এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। জনগণ আমার সঙ্গে আছে। আমার নৌকা প্রতীক না থাকলেও স্বতন্ত্র প্রতীকে ভোট দিয়ে জনগণ আমাকে নির্বাচিত করবেন বলে আশা রাখি। তবে মামা নৌকা প্রতীক পেয়ে আমার ভোটারদের নানাভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে ভয়-ভীতি দেখাচ্ছেন। এতে আমার ভোটাররা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।’

এ ব্যাপারে জানতে আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুরের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় বারবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জেলার খবর

আপনার মতামত লিখুন :