দিনাজপুরে চ্যানেল আই’র ডকুড্রামা “জীবন যেখানে যেমন”র চিত্রায়ণ

tkeditortkeditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:৫৫ PM, ১৯ মার্চ ২০১৭

শাহ্ আলম শাহী,দিনাজপুর থেকেঃ সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের নিয়ে নির্মিত জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল “চ্যানেল আই’তে প্রচারিত সাপ্তাহিক ডকুড্রামা“ জীবন যেখানে যেমন” এর চিত্রায়ণ হলো দিনাজপুরে।

নিজের নির্বাচনী এলাকায় বৃদ্ধাশ্রম এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য মানবপল্লী বানিয়ে ওয়ার্ল্ড লিডারশিপ ফেডারেশনের (ডব্লি­ইউএলএফ) পুরস্কার প্রাপ্ত জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি’র সাফল্যের কাহিনী নিয়ে তৈরী হয়েছে এবারের ডকুড্রামা“ জীবন যেখানে যেমন।” তারানা হালিমের গ্রন্থনা,উপস্থাপনা ও পরিচালনায় জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল “চ্যানেল আই’তে প্রতি বুধবার রাত ১১টা ৩০ মিনিটে প্রচারিত হয় এই সাপ্তাহিক ডকুড্রামা“ জীবন যেখানে যেমন।”

দিনাজপুরের মানবপল্লীতে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হিজরাদের জীবন যাপন এবং শান্তি নিবাস বৃদ্ধাশ্রমে বসবাসরত মানুষদের জীবন যাপন এবং দিনাজপুর-সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিমের সাফল্যতা নিয়ে নির্মিত হয়েছে এবারের পর্ব। দিনাজপুরে ১৭ এবং ১৮ মার্চ চিত্রায়িত এই ডকুড্রামা দু’টি পর্বে আগামী ২৯ মার্চ ও ৬ এপ্রিল বুধবার রাত ১১টা ৩০ মিনিটে চ্যানেল আই’তে “জীবন যেখানে যেমন” অনুষ্ঠানে প্রচারিত হবে বলে জানিয়েছেন, সাপ্তাহিক এ ডকুড্রামা’র সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান মাসুদ। এ পর্ব দু’টির চিত্র ধারণ করেছেন হাফিজ। সমন্বয়কারী হিসেবে রয়েছেন,চ্যানেল আই’র স্টাফ রিপোর্টার শাহ্ আলম শাহী।

উল্লেখ্য, নিজের নির্বাচনী এলাকায় বৃদ্ধাশ্রম এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য মানবপল্লী বানিয়ে ওয়ার্ল্ড লিডারশিপ ফেডারেশনের (ডব্লি­ইউএলএফ) পুরস্কার প্রাপ্ত জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি সোশাল ইনোভেটর ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার পেয়েছেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইকবালের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

দিনাজপুর সদরের বাংগিবেচা ঘাট এলাকায় ২০১২ সালে হিজড়া বা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য ‘মানবপল্লী’ গড়ার কাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে ৮০ জন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে সেখানে পুনর্বাসিত করা হয়েছে বলে ইকবালুর রহিম জানিয়েছেন।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের অর্থ থেকে পুনর্ভবা নদীর তীরে ওই পল্লী গড়ে তোলা হয়েছে। পুনর্বাসিত হিজড়াদের পুকুরে মাছ চাষ, হস্তশিল্প, বিউটি পার্লারে কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

“এই মানুষগুলো আমাদের পরিবারেরই সদস্য। কিন্তু তাদের পরিবার তাদেরকে গ্রহণ করে না, তারা অবহেলিত। অথচ অবহেলা না করে একটু যতœশীল হলেই তারা সমাজের সাধারণ সদস্যদের মত আচরণ ও সহাবস্থান করতে পারে।হিজড়াদের নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কাজ করলেও তাদের জীবন মান নিয়ে কেউ ভাবে না। সবই থাকছে ডকুড্রামায়।

জেলার খবর

আপনার মতামত লিখুন :