ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল এক স্কুল ছাত্রী

tkeditortkeditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১২:৫৫ AM, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

ঠাকুরগাঁওয়ের খবর : ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল এক ছাত্রী। প্রশাসন ও মহিলা পরিষদের  হস্তক্ষেপে শুক্রবার বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে ওই ছাত্রী ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওই ছাত্রী স্থানীয় এক  উচ্চ বিদ্যালয় থেকে  এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে।

এ ঘটনায়  ভ্রাম্যমান আদালত বরকে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনের ১৯২৯ এর ৪ ধারায় ১ হাজার টাকা ও দন্ড বিধির ১৮৮ ধারায় ৫  হাজার টাকা জরিমানা করে। অন্যদিকে মেয়ের চাচাকে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে ১৯২৯ এর ৬ ধারায় ১ হাজার টাকা ও দন্ড বিধি ১৮৮ ধারায় ১ হাজার টাকা  ও মেয়ের দাদাকে ১৯২৯ এর ৬ ধারায় ১ হাজার টাকা জরিমানা করে।

নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রাসেদুল ইসলাম প্রধান এ রায় প্রদান করেন।

এরপর  মেয়ের দাদা ও চাচার কাছে  মুচলেকা নেয়া হয় যে, মেয়েকে অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় কোথাও বিয়ে দেবেন না ও পড়াশুনা চালিয়ে যাবেন এবং বরের কাছে নেয়া হয় অপ্রাপ্তবয়স্ক কোনো মেয়েকে বিয়ে করবে না ।
উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী এক যুবকের বিয়ের আয়োজন চলছিল। এ খবর পেয়ে ওই বিয়ে বন্ধ করতে পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ এসআই আতিকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠান। এর পর ঘটনা স্থলে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রাসেদুল ইসলাম প্রধান ও মহিলা পরিষদ ঠাকরগাঁও শাখার সাধারণ সম্পাদক সুচরিতা দেব ,মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিক নবীন হাসান  ওই ছাত্রীর বাড়িতে উপস্থিত হন এবং সবাই মিলে বিয়ে বন্ধ করে দেন।

সেখানে   নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রাসেদুল ইসলাম প্রধান ও মহিলা পাষিদ তাঁদের বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে বোঝান এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রাসেদুল ইসলাম প্রধান উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে ওই ছাত্রীর পাড়াশুনার খরচ চালানো আশ্বাস দেন।

ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ বলেন, বাল্যবিবাহ আয়োজনের খবর পেয়েই ওই বিয়ে বন্ধে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই।

পুলিশ প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পায় মেয়েটি এমনটা মনে করছে এলাকাবাসী। এজন্য তারা পুলিশ সুপার মহোদয়কে সাধুবাদ জানান।

অপরাধ

আপনার মতামত লিখুন :