চোখের পানি শুকিয়ে গেলেও হৃদয়ের কষ্ট আজও ভুলিনি

tkeditortkeditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০২:১২ PM, ০৭ জানুয়ারী ২০১৬

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা : ভারতীয় সীমান্তে বিএসএফের হাতে নৃশংসভাবে  কিশোরী ফেলানী হত্যার আজ ৫ বছর পূর্ণ হলো। তবে এতদিনেও কাঙ্ক্ষিত বিচার পায়নি পরিবার। সরকার ও মানবাধিকার সংস্থার সহায়তায় মেয়ে হত্যার ন্যায় বিচার পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় বাবা নূর ইসলামের।

২০১১ সালের এই দিনে ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর অনন্তপুর সীমান্তে আন্তর্জাতিক পিলারের পাশ দিয়ে মই বেয়ে কাঁটাতার ডিঙ্গিয়ে বাবার সাথে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় টহলরত চৌধুরীহাট ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ তাকে গুলি করে হত্যা করে। সে নাগেশ্বরী উপজেলা রামখানা ইউনিয়নের কলোনিটারী গ্রামের নূর ইসলাম ও জাহানারা বেগম দম্পতির প্রথম সন্তান।

গত মঙ্গলবার গিয়ে দেখা গেছে, মা জাহানারা বেগম পরম স্নেহে শাড়ির আঁচল দিয়ে মেয়ের সমাধি বেদী পরিষ্কার করছেন। তাকে এ কাজে সহযোগিতা করছেন বাবা নূর ইসলাম। নাগরিক পরিষদ আয়োজিত ঢাকায় ৬ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলন ও ৭ জানুয়ারি মুক্ত আলোচনায় যোগ দিতে রাতেই ঢাকায় রওনা দেন তারা।

ফেলানীর বাবা নূর ইসলাম বলেন, ‘চোখের পানি শুকিয়ে গেলেও হৃদয়ের কষ্ট আজও ভুলিনি। আর এ কষ্ট কখনও ভোলা যায় না। সরকার ও মানবাধিকার সংস্থার সহায়তায় আমরা মেয়ে হত্যার ন্যায় বিচার পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।’

নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মো. শামসুদ্দীন জানান, ‘আজ ৭ জানুয়ারি সেগুন বাগিচাস্থ শিশু কল্যাণ পরিষদ হলে ফেলানী দিবস পালন  উপলক্ষে মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে আমরা জাতিসংঘ মহাসচিব বরাবর বিশ্বব্যাপী সীমান্ত হত্যা বন্ধে ৭ জানুয়ারি ফেলানী দিবস পালনের জন্য স্মারকলিপি প্রদান করেছি।’

তিনি আরও জানান,‘বিশ্বব্যাপী ফেলানী দিবস পালন, অমিয় ঘোষের ফাঁসি, ফেলানীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান, কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তের নাম ফেলানী সীমান্ত নামকরণ, ঢাকার গুলশান-১ গোলচত্বর থেকে তেজগাঁও রাস্তার নাম ফেলানী সরণী, সীমান্ত হত্যা বন্ধ ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন বন্ধের দাবিতে বুধবার তোপখানা নির্মল সেন মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছি।’ full_

জেলার খবর

আপনার মতামত লিখুন :