1. [email protected] : admin : Antar Roy
  2. [email protected] : Bidhan Das : Bidhan Das
  3. [email protected] : tkeditor :
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বগুড়ায় স্বামীর আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী সাহাদারা মান্নান জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন ক্রিকেটার নাজমুল হাসান শান্ত স্ত্রীর অশ্লীল ছবি তুলে যৌতুক দাবি করায় গ্রেফতার হলো স্বামী ! যশোর-৬ কেশবপুর আসনের উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে নৌকার জয় নীলফামারীতে মেয়ের করোনা সনাক্তের খবর শুনে স্কুল শিক্ষিকা মায়ের মৃত্যু ! পীরগঞ্জে ঠিকাদার কর্তৃক অবৈধভাবে পাকা স্থাপনা ভেঙ্গে দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ঠাকুরগাঁওয়ে হাসপাতালের চিকিৎসক ও বিজিবি সদস্যসহ নতুন করে ৫জন করোনায় আক্রান্ত সাহেদ এর পালানো ঠেকাতে হিলিতে নজরদারি বৃদ্ধি দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু ৩৩, আক্রান্ত ৩১৬৩ ! আমার অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশের ফুসফুস

কুড়িগ্রামে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে ৬০ হাজার মানুষ !

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০
  • ২৮ পঠিত

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : উজান থেকে নেমে আসা পানি প্রবাহ অব্যাহত থাকায় কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটেছে।

শনিবার দুপুরে ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ৪৩ সে.মিটার এবং ব্রহ্মপূত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৩৮ সে.মিটার এবং নুনখাওয়া পয়েন্টে ২৪ সে.মিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। উজান থেকে নেমে আসা পানি প্রবাহ অব্যাহত থাকায় জেলার ২৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির আউশ, পাট, ভুট্টা, কাউন, চিনা ও শাকসবজির ক্ষেত। এছাড়া ও নদী ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়েছে প্রায় ২ শতাধিক পরিবার।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘন্টায়, ধরলা নদীর পানি ৩৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৩৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৩৮ সে.মিটার এবং নুনখাওয়া পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ২৭ সে.মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

সরেজমিন সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চরযাত্রাপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায় অধিকাংশ বাড়িতে বন্যার পানি প্রবেশ করছে। করোনার কারণে এমনিতেই কাজকর্ম নেই, তার উপর বন্যার আঘাতে বিপর্যদস্ত হয়ে পরেছে বানভাসিরা।

এই গ্রামের আবুল হোসেন ও মোজাম্মেল হক জানান, চরের আবাদ সব নষ্ট হয়ে গেছে। বাড়ির চারপাশে যারা সবজি লাগিয়েছেন সেগুলো এখন পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়াও নিচু লেট্রিন ডুবে যাওয়ায় বিপদে পরেছে নারী ও শিশুরা।

আরাজী পার্বতীপুর গ্রামের ছকিনা ও তাহেরা জানান, পুরুষ মানুষ বাইরে লেট্রিন সাড়লেও মহিলারা ও জোয়ান মেয়েরা দুর্ভোগে পড়েছে।

এদিকে প্রচণ্ড নদী ভাঙনের মুখে পড়েছে উলিপুর উপজেলার হাতিয়া, থেতরাই, বুড়াবুড়ি, বেগমগঞ্জ এলাকার মানুষ। ভাঙছে রৌমারীর কর্ত্তিমারী, চিলমারীর নয়ারহাট, কুড়িগ্রাম সদরের মোগলবাসা ও সারডোব এলকায়। গত এক সপ্তাহের ভাঙনে বিভিন্ন উপজেলা মিলিয়ে প্রায় ২ শতাধিক বাড়িঘর নদীগর্ভে গেছে।

ব্রহ্মপুত্রের চর মশালের চরের বাসিন্দা মুসা মিয়া ও ভগবতির চরের জাহাঙ্গীর আলম জানান, চরের অধিকাংশ ঘর বাড়িতে পানি উঠেছে। অনেকেই উঁচু ভিটায় থাকলেও নিচু ভিটার বাসিন্দারা নৌকা ও চৌকির উপর আশ্রয় নিয়েছে। কেউ কেউ নিকটবর্তী আশ্রয়কেন্দ্র ও স্কুলে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানান তারা।

নওয়াবশ গ্রামের শহিদুল ইসলাম জানান, গ্রামের রাস্তাগুলো ভেঙে গর্ত পড়ায় চলাচল করা যাচ্ছে না।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, ভাঙন কবলিতদের সরিয়ে আনতে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন। এছাড়াও শুক্রবার ভাঙন কবলিত উপজেলাগুলোতে ৩০২ মে.টন চাল ও ৩৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।

বিডি

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো খবর :

  © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | ঠাকুরগাঁওয়ের খবর

Theme Customized By Arowa Software