আড়াই’শ শয্যায় উন্নীত হলেই কাঙ্খিত সেবা পাবে সদর হাসপাতালের রোগিরা

tkeditortkeditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০২:৪৩ AM, ২৫ মার্চ ২০১৭

ঠাকুরগাঁওয়ের খবর :  দিন দিন রোগির চাপ বৃদ্ধি   পাওয়ায় ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালকে ১শ থেকে আড়াই’শ শয্যায় উন্নিত করা হচ্ছে। গড়ে তোলা হচ্ছে   ৬তলা বিশিষ্ট্য একটি অত্যাধুনিক ভবন। রোগিরা   সেবা না পাওয়ার অভিযোগ করলেও কর্তৃপক্ষ বলছেন আড়াই’শ শয্যার কাজ সম্পূর্ন হলেই কাঙ্খিত সেবা পাবে তারা।
ভৌগলিক অবস্থানের কারনে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে দিন দিন রোগির চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।পার্শ্ববর্তি জেলা পঞ্চগড়,নীলফা মারী ও দিনাজপুরের কিছু অংশের কয়েক’শ রোগি বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসছে এ হাসপাতালে।বিছানা সংকটের কারণে কেউবা হাসপাতাল চত্বরে,কেউবা বারান্দা,আবার কেউবা মেঝেতেই চিকিৎসা নিচ্ছে।
এ   অবস্থায় হাসপাতালটিতে গড়ে (প্রতিদিন) ৩-৪ শতাধিক রোগি সেবা নেয়ায় হিমসিম খাচ্ছে চিকিৎসক ও নার্সরা।ফলে   কাঙ্খিত সেবা না পাওয়ার   অভিযোগ রোগি ও স্বজনদের। আর চিকিৎসা   সংশ্লিষ্টদের দাবি হাসপাতালটি আড়াই’শ শয্যায় উন্নীত ও জনবল পেলেই কাঙ্খিত সেবা পাবে রোগিরা। PicsArt_03-24-07.04.16
পঞ্চগড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আব্দুল গফুর জানান,আমার শিশুর ৪দিন ধরে ডায়রিয়া তাই ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে আসছি।বেড পাওয়া যায়নি। তবে চিকিৎসা ভাল হচ্ছে।
ঠাকুরগাঁও জেলার সীমান্তবর্তি এলাকার হরিদাস জানান, হামরা গরিব মানুষ এইতানে সরকারি হাসপাতালত আইচ্চি।ডাক্তার দেখে হানে কয়টা ওষুধ লেখে দিছে, কিছু ওষুধ হাসপাতালতে পাইছি আর কিছু ওষুধ বাহির থেকে কিনে আনিছ। সব ওষুধলা হাসপাতাল থেকে পাইলে গরিবলার উপকার হলো হয়।
দিনাজপুর জেলার ২৫ মাইল থেকে আসা রবিউল ইসলাম জানান, আমাদের এলাকা থেকে দিনাজপুর সদর সদরহাসপাতাল অনেক দুর, কাছে   হয়   ঠাকুরগাঁও   সদর হাসপাতাল তাই মেয়েকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য আসছি।তবে বেড না থাকায় হাসপাতালের মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছি। এতে খুব কষ্ট হচ্ছে। এই হাসপাতালে সেবার মান ভাল তবে পরিবেশটা আরেকটু ভাল হলে ভাল হয়।
সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ শাহাজাহান নেওয়াজ জানান, আমরা আমাদের সাধ্যমত চিকিৎসা দেয়ার চেষ্টা করছি। তবে ভোগলিক অবস্থানের কারনে এ হাসপাতালে রোগির চাপ বেশি।
সদর হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ শুভেন্দু দেবনাথ জানান, মানুষের সেবা করাই আমাদের কাজ। তবে জনবলের  অভাবে  আমাদের ভিশন বেগ পেতে হচ্ছে। জনবল পুরন করা হলে হাসপাতালেই   ভালচিকিৎসা পাবে রোগিরা।
এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডাঃ আবু মোঃ খয়রুল কবির রোগির কাঙ্খিত সেবা  না পাওয়ার কথা স্বীকার   করে সিভিল জানান, আড়াই’শ শয্যা সম্পুর্ন হলে চিকিৎসক ও জনবল বাড়বে তাহলে আমরা কাঙ্খিত সেবা প্রদান করতে পারবো। সদর হাসপাতালটিকে ১শ থেকে আড়াই’শ শয্যায় উন্নিতকরণে ২৮ কোটি ৫০ লক্ষ ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে ৬ তলা বিশিষ্ট্য অত্যাধুনিক ভবন। যার ৬০ ভাগ কাজ এরই মধ্যে সম্পূর্ন হয়েছে। চলতি বছরেরই তা উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

জেলার খবর

আপনার মতামত লিখুন :