আত্মবিশ্বাস আর আত্মমর্যাদা বোধ নিয়েই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের জনগণ

tkeditortkeditor
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৩:১২ AM, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৫

ঠাকুরগাঁওয়ের খবর ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের কথা জাতিকে মনে রাখার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে গড়ে তুলতে হবে অজেয় রূপে। তিনি বলেছেন, “আত্মবিশ্বাস আর আত্মমর্যাদা বোধ নিয়েই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের জনগণ”আমরা কারও কাছে হার মানি না, পরাজিত হই না। সেইভাবে আমাদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।” রোববার বাংলাদেশ বিমানবা‌হিনী‌তে রা‌শিয়ার তৈরি কমব্যাট প্রশিক্ষণ বিমান ইয়াক-১৩০ এবং ইতা‌লির তৈরি অনুসন্ধান ও উদ্ধার হে‌লিকপ্টার অগাস্টা এড‌ব্লিউ-১৩৯ এর অন্তর্ভুক্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
কুচকাওয়াজ প‌রিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করে  প্রধানমন্ত্রী ২১ নম্বর স্কোয়াড্রন লিডার উইং কমান্ডার হাসান আশরাফুজ্জামা‌নের হা‌তে ইয়াক-১৩০ এবং ১ নম্বর স্কোয়াড্রন লিডা‌রের হা‌তে অগাস্টা এড‌ব্লিউ‌-১৩৯ এর অন্তর্ভু‌ক্তির আদেশ তু‌লে দেন। কুচকাওয়াজ শে‌ষে প্রধানমন্ত্রী বিমান বা‌হিনী‌তে নতুন সং‌যো‌জিত এই প্রশিক্ষণ বিমান এবং হে‌লিকপ্টা‌রের ডিসপ্লে দেখেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘ফ্লাই বাই ওয়ার’ প্রযুক্তিতে নিয়ন্ত্রিত ইয়াক-১৩০ বিমান আধুনিক ও বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ সুবিধার পাশাপাশি যুদ্ধকালীন সময়ে আকাশ প্রতিরক্ষা, প্রয়োজনে আক্রমণ এবং সেনা ও নৌ বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা দিতে সক্ষম। এই বিমানের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় এক হাজার ৬০ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩০০ কিলোমিটার পাল্লার এ বিমান ভূমি থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১২ হাজার মিটার উচ্চতায় টানা তিন ঘণ্টা ২০ মিনিট উড়তে পারে।
ঢাকার কুর্মিটোলায় বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুতে এ অনুষ্ঠা‌নের প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, “সম্পদের সীমাবন্ধতা আছে। কিন্তু তা কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে না। যদি আমাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস থাকে, তাহলে আমরা এগিয়ে যাবোই। বিমানবাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে সরকার প্রধান বলেন, উন্নত প্রযুক্তিসমৃদ্ধ সরঞ্জাম ও ব্যবস্থাপনা এ বাহিনীর ‘দক্ষতা ও অপারেশনাল কার্যক্ষমতা’ আরও বৃদ্ধি করবে। “সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আপনাদের যতটুকু সহায়তা দেওয়া সম্ভব, বর্তমান সরকার এ ব্যাপারে কোনো কার্পণ্য করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।” বিমানবাহিনীতে শিগগিরই পাঁচটি নতুন এমআই-১৭১ এসএইচ হেলিকপ্টার এবং ১২টি পিটি-৬ প্রশিক্ষণ বিমান যুক্ত করার কথাও বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী সকালে ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুতে পৌঁছালে বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল আবু এসরার এবং ঘাঁটির অধিনায়ক এয়ার কমোডর এম ওবায়দুর রহমান তাকে স্বাগত জানান।

পরে তিনি বঙ্গবন্ধু অ্যারোনটিক্যাল সেন্টারে যুদ্ধবিমান ওভারিহলিং কার্যক্রম দেখেনে। মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, কূটনীতিক, নৌবাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারসহ সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :